বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ইউএনডিপি পার্লামেন্ট ইয়ং ফেলোশিপে আবেদন করার সুযোগ পাবেন যারা
তরুণ গ্র্যাজুয়েট ও গবেষকদের জন্য ছয় মাসের এই ফেলোশিপ প্রোগ্রামে আবেদনের শেষ সময় ৩০ অক্টোবর ২০২৬
চাকরি ডেস্ক · ঢাকা
প্রকাশ:
বাংলাদেশের তরুণ গ্র্যাজুয়েট ও উদীয়মান গবেষকদের জন্য জাতীয় সংসদীয় ব্যবস্থা, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং নীতিনির্ধারণী গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-১৬ ‘শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় যৌথভাবে এই পার্লামেন্ট ইয়ং ফেলোশিপ প্রোগ্রামে আবেদন গ্রহণ করছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে তথ্যভিত্তিক গবেষণা ও আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গতিশীল করতে এই পাইলট উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এই প্রোগ্রামের আওতায় নির্বাচিত ফেলোদের ছয় মাসের জন্য চুক্তিবদ্ধ করা হবে এবং তাদের কর্মস্থল হবে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ সচিবালয়। ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে আইন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পার্লামেন্টারি স্টাডিজ, অর্থনীতি, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, রাজনৈতিক বিজ্ঞান কিংবা সোশ্যাল সায়েন্সের যেকোনো বিষয়ে স্নাতক বা ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও আবেদন করা যাবে, তবে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সাবলীল যোগাযোগ দক্ষতা এবং গবেষণা উপস্থাপন, মাইক্রোসফট অফিস ও এআই টুলসের সঠিক ব্যবহারের দক্ষতা থাকতে হবে।
ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার বা অ্যানালিস্ট এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট উইংয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফেলোদের প্রত্যক্ষ তদারকি করবেন। এটি ন্যাশনাল কমিউনিটি ইউএন ভলান্টিয়ার ক্যাটাগরির একটি দায়িত্ব হওয়ায় ফেলোরা জাতিসংঘ নির্ধারিত সম্মানী, ভাতা ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ইউএনভির অফিশিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।
জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সতর্ক করে জানানো হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়েই কোনো প্রকার অর্থ বা ফি গ্রহণ করা হয় না। বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা এবং সরকারি নীতিনির্ধারণী কাঠামোর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি একটি তথ্যনির্ভর আইনসভা গঠনে এই ফেলোশিপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।