আইনগত সহায়তার মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে, বললেন আইনমন্ত্রী
চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের তিন দিনের প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে নিষ্ঠা, দক্ষতা ও জনসেবার মানসিকতায় দায়িত্ব পালনের আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক · ঢাকা
প্রকাশ:
আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বিচার পাওয়া সহজ করতে হবে এবং একই সঙ্গে বিচারব্যবস্থার ওপর চাপও কমাতে হবে, মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এই কার্যক্রম দিয়ে বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ কমিয়ে বিচারব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দূর করা গেলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে। এ লক্ষ্যে নিষ্ঠা, দক্ষতা ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের আহ্বান জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর মহাখালীর হোটেল অবকাশে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কর্মকর্তারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি কাজ করার এবং তাঁদের জীবন ও বাস্তবতা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন। এ অভিজ্ঞতা তাদের পেশাগত জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে, যা ভবিষ্যতে বিচারিক দায়িত্ব পালনের সময় আরও কার্যকর ও মানসম্মত রায় প্রদানে সহায়ক হবে।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিচারকরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে আইনগত সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের বিচার পাওয়ার পথের বাধা সরাতে বড় অবদান রাখেন। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো গেলে বিচারিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তখন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি কার্যকর ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলা সহজ হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সহযোগিতার জন্য জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থাকে (জাইকা) ধন্যবাদ জানান আইনমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাইকা এক্সেস টু জাস্টিস প্রজেক্টের প্রধান উপদেষ্টা তাকুরো ফুজিওকা, আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এসএম এরশাদুল আলমসহ অন্যরা।