হাইকোর্টের আদেশে ফুডপ্যান্ডা ও ডেলিভারি হিরোর ৫ কর্মকর্তার দুই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে
অবকাশকালীন বেঞ্চের রুলে ১৮ অক্টোবর কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে
ঢাকা জেলা প্রতিনিধি · ঢাকা
প্রকাশ:
হাইকোর্ট ফুডপ্যান্ডা (বাংলাদেশ) ও ডেলিভারি হিরো স্টোরস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা দুটি মামলার কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ দিয়েছে। রুলসহ আদেশটি গত রোববার, ১৮ অক্টোবর, বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ প্রদান করেছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবাদিত কর্মকর্তারা হলেন ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা আম্বারীন রেজা, সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, ডেলিভারি হিরো স্টোরস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ তাবরেজ খান, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক এবং সিনিয়র ম্যানেজার ও পরিচালক মো. সাজেদুল হক। এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছে।
প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ৩ জুলাই, গত বছর, ঢাকার নিম্ন আদালতে শিহাব মাহমুদ বশির (আইপিএলই ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী) মামলা দায়ের করেন। আদালত তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং গুলশান থানা-পর্যন্ত পুলিশ ২২ জুন ও ২৬ জুলাই পৃথক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। ২৩ সেপ্টেম্বর, আদালত ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর, হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য পৃথক আবেদন করা হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ছয় সপ্তাহের জন্য জামিন মঞ্জুর করা হয়।
মামলাগুলি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চলমান। ২৩ সেপ্টেম্বর অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর, পাঁচ কর্মকর্তা হাইকোর্টে মামলাগুলি বাতিলের আবেদন করেন। হাইকোর্ট ১৮ অক্টোবর (গত রোববার) রুলের মাধ্যমে দুটির কার্যক্রমকে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য স্থগিত করে।
শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং আইনজীবী কাজী এরশাদুল আলম ও মশিউর রহমান। আইনজীবীরা আদালতে তাদের ক্লায়েন্টের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।
বিজ্ঞাপন
আইনজীবী কাজী এরশাদুল আলম বুধবার প্রথম আলোকে জানান, ‘ফুডপ্যান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ডেলিভারি হিরো স্টোরস (বাংলাদেশ) লিমিটেড, যেটি প্যান্ডামার্ট নামে পরিচিত। পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা মামলা দুটির কার্যক্রম কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। মামলার বাদীকে (শিহাব মাহমুদ বশির) চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে হবে।’ হাইকোর্ট মামলাগুলির কার্যক্রমকে তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।