সমালোচনাকে সাধুবাদ জানিয়ে নিজেকে শুধরে নেওয়া উচিত ইশরাকের: রাশেদ খাঁন
আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করার ঘটনায় ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর
নিজস্ব প্রতিবেদক · ঢাকা
প্রকাশ:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, সমালোচনাকে সাধুবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের নিজেকে শুধরে নেওয়া উচিত। মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের অবস্থানের প্রশংসা করলেও আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করার ঘটনায় ওঠা সমালোচনাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব কথা লেখেন।
পোস্টে ইশরাক সম্পর্কে তিনি লেখেন, ‘ইশরাক হোসেন একজন তরুণ উদীয়মান নেতৃত্ব।’ রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, রাজপথে সংগ্রাম করে সারা দেশের নেতাকর্মীদের মন জয় করার মধ্য দিয়েই ইশরাক প্রতিমন্ত্রীর আসনে বসেছেন। গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তিনি বাংলাদেশকে মনেপ্রাণে ধারণ করেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁকে সব সময় প্রবল উদ্দীপনায় প্রতিবাদ করতে দেখেছেন বলেও লেখেন রাশেদ খাঁন।
মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের জোরালো অবস্থানকে অবশ্যই প্রশংসনীয় বলেছেন তিনি। তবে মাদকসেবীদের আক্রমণের আশঙ্কা থেকে আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করা নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছেন। রাশেদ খাঁন আশা প্রকাশ করেন, ইশরাক এই সমালোচনাকেও সাধুবাদ জানাবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে শুধরে নেবেন, ইনশাআল্লাহ।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, বাস্তবতা হলো মাদকসেবীরা জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চেনে না, মাদকের ঘোরে অনেক সময় যেকোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে পারে। মাসখানেক আগে গাজীপুরে মাদক কারবারিরা পাথর ছুঁড়ে পুলিশকে আক্রমণ করে আসামি ছিনতাই করে নিয়ে গিয়েছিল বলে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
রাশেদ খাঁনের মতে, আরও সচেতন থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ইশরাক হোসেনের আসনে মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ নিলে তা জনগণের কাছে অবশ্যই প্রশংসনীয় হবে।
তিনি লেখেন, সমালোচনার বিষয়টি নিয়ে ইশরাক স্পষ্ট করেছেন যে তিনি পুলিশকে খবর দিয়ে মাদকসেবীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং মাদকসেবীরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন।
পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন লেখেন, মাদক দেশে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, আর ১৬ বছর ধরে পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ভূতদের অভিযান পরিচালনায় দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। এ অবস্থায় জনগণের কাছে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিরোধের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবু একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে ইশরাক ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থেকে জনদাবি আদায়ে কাজ করবেন বলে তাঁর ধারণা।