নাট্যকার ও অভিনেতা Siddiqur Rahman স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত একজন মানুষ এবং এখনো সেই অবস্থানেই আছেন। তবে কোনো রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড বা অন্যায়ের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১২ মে) দেশের একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন সিদ্দিকুর রহমান।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি আওয়ামী লীগ সমর্থিত একজন মানুষ। আমি ছিলাম না, আমি এখনো আছি—সত্যি কথা যেটা। কারণ আমি তো আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছি। আমি আওয়ামী লীগের দলীয় নমিনেশন পেপার চেয়েছিলাম।”
তবে দলীয় মনোনয়ন চাওয়ার কারণে দলের সব দায়ভার তার ওপর বর্তায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তার ভাষায়, “আমি যে দলটির দলীয় নমিনেশন পেপার চেয়েছিলাম, তাদের দায়ভারটা তো আমার উপরে আসবে না। কারণ ওতপ্রোতভাবে আমি প্রফেশনালি কোনো পলিটিশিয়ান না।”
নিজের পরিচয় প্রসঙ্গে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “দিনশেষে আমি নাট্যকার, অভিনেতা, নির্মাতা সিদ্দিকুর রহমান।” একজন নাগরিক হিসেবে মত প্রকাশ ও স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার তার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তার বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, “আমি কোনো রাষ্ট্রদ্রোহী কাজের সঙ্গে জড়িত না। আমি কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত না। আমি কারো কোনো ক্ষতি চাইনি। আমার দ্বারা কারো ক্ষতি হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বরং মানবতার সেবক হতে চেয়েছি। সেবকের জায়গা থেকে আমি কথা বলেছি।”
আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র চাওয়ার বিষয়ে অনুতাপের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “পলিটিক্যাল জায়গা থেকে আমি কথা বলেছি। সেটুকু হলো—নমিনেশন পেপার যখন চেয়েছিলাম, আমি সেটার জন্য অনুতপ্ত একটি মাত্র কারণে।”
তিনি জানান, ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটই তার এই অনুতাপের মূল কারণ।
সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “যেহেতু নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, আমি যেহেতু তাদের সমর্থিত একটা মানুষ, আমার মনে হয় কার্যক্রম নিয়েও আমার কথা বলা উচিত না। কারণ সেটাও নিষিদ্ধ।”
তিনি আরও যোগ করেন, “এটা আসলে যারা প্রফেশনালি রাজনীতি করেন তাদের বিষয়। আমি এখনো প্রফেশনাল রাজনীতিক না।”
— পত্রিকা একাত্তর

