ফেসবুকে বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
১৮ বছরের কম বয়সী, পেজের মালিক ও প্রফেশনাল মোড ব্যবহারকারীরা এ সুবিধার বাইরে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ:
ফেসবুক ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ দেওয়ার ঘোষণা অনেক আগেই দিয়েছে মেটা। তবে চাইলেই সবাই এ সুবিধা পাবেন না। মেটার নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাজ পেতে অ্যাকাউন্টধারীকে বেশ কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক বা অপ্রকৃত কার্যকলাপের প্রমাণ রয়েছে, সেগুলো এর আওতায় আসবে না।
বিজ্ঞাপন
যাঁদের জন্য এ সুবিধা প্রযোজ্য নয়, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ১৮ বছরের কম বয়সীরা; সুবিধা পেতে ব্যবহারকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। ফেসবুক পেজের মালিকেরাও এর বাইরে, কারণ আপাতত পেজের জন্য এই ভেরিফিকেশন চালু করা হয়নি। প্রোফাইলে প্রফেশনাল মোড চালু থাকলেও এ সুবিধা মিলবে না।
প্রতারণা, জালিয়াতি বা বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ডের কারণে ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘনকারী অ্যাকাউন্ট যোগ্য হবে না। অ্যাকাউন্টে ভুয়া পরিচয় বা সঠিক নয় এমন আচরণের প্রমাণ থাকলেও ভেরিফিকেশন পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া ভিডিও সেলফির সঙ্গে প্রোফাইলের ছবির মিল না পেলে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।
যাচাইয়ের জন্য ব্যবহারকারীকে একটি ছোট ভিডিও সেলফি রেকর্ড করতে হবে, যা প্রোফাইল ছবির সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। পেইড ‘মেটা ভেরিফায়েড’-এ নীল ব্যাজ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তার সুবিধা থাকলেও এই বিনামূল্যের ভেরিফিকেশন চিহ্নিত করা হবে কালো রঙের ব্যাজ দিয়ে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্পন্ন হবে।
ফেসবুক মার্কেটপ্লেস, ডেটিং, গ্রুপসহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহারকারীরা যেন আসল মানুষ চিনতে পারেন, সে জন্যই এই উদ্যোগ। মেটা জানিয়েছে, পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে শেষ হতে পারে। একবার যাচাই সম্পন্ন হলে ফেসবুকের সমর্থিত বিভিন্ন জায়গায় প্রোফাইলে ভেরিফায়েড ব্যাজ দেখা যাবে।
বিজ্ঞাপন
অর্থের বিনিময়ে পাওয়া ‘মেটা ভেরিফায়েড’ সাবস্ক্রিপশনের সঙ্গে এই সুবিধার পার্থক্য রয়েছে। ‘মেটা ভেরিফায়েড’-এ নীল ব্যাজের পাশাপাশি অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। অন্যদিকে নতুন ফ্রি ভেরিফিকেশন ব্যবস্থায় কালো ব্যাজ ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে ভুয়া প্রোফাইল, ছবি ও বার্তা তৈরি সহজ হয়ে ওঠায় ব্যবহারকারীদের প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেটার লক্ষ্য, মার্কেটপ্লেস, ডেটিং, গ্রুপসহ ফেসবুকের বিভিন্ন জায়গায় অপরিচিত কারও সঙ্গে যোগাযোগের আগে তাঁর পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা।