কেরালার শোরানুর রেলস্টেশনের পরিচ্ছন্নতায় মুগ্ধ এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর
ইনস্টাগ্রামে ভিডিও শেয়ার করে স্টেশনটিকে ‘প্রাসাদের মতো’ বলেছেন তিনি, ভিডিও ঘিরে নেটিজেনদের নানা মন্তব্য।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ:
পরিচ্ছন্ন প্ল্যাটফর্ম, আকর্ষণীয় স্থাপত্য ও শান্ত পরিবেশের কারণে কেরালার শোরানুর রেলস্টেশন পর্যটকদের নজর কেড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশন হওয়া সত্ত্বেও স্টেশনের পরিচ্ছন্নতা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ইনস্টাগ্রামে তাঁর শেয়ার করা ভিডিও নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্টেশনটিকে তিনি ‘প্রাসাদের মতো’ বলেও বর্ণনা করেছেন।
বিজ্ঞাপন
ভিডিওতে ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটর শোরানুর স্টেশনের ঝকঝকে প্ল্যাটফর্ম, নকশা ও আশপাশের পরিবেশ তুলে ধরেছেন। স্টেশনের বাইরের বাসস্ট্যান্ডও তাঁর নজর কেড়েছে। তাঁর ভাষ্য, স্টেশন থেকে রেললাইন চলে গেছে পাহাড়ের দিকে, আর চারপাশের মনোরম পরিবেশ স্টেশনের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়েছে।
ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি বলেন, “কেরালার শোরানুর একটি রেল জংশন। স্টেশনটি কী সুন্দর! এখানকার রেললাইন পাহাড়ের দিকে চলে গিয়েছে। স্টেশনের ঠিক বাইরেই রয়েছে একটি বাসস্ট্যান্ড। চারপাশের পরিবেশ কত মনোরম! স্টেশনটিকে প্রায় প্রাসাদের মতো দেখাচ্ছে। সত্যিই অপূর্ব!”
তাঁর মতে, একাধিক টিকিট কাউন্টার থাকলেও সেখানে খুব বেশি ভিড় চোখে পড়েনি। স্টেশনটি দূর থেকে যেমন আকর্ষণীয়, ভেতরেও তেমনি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর।
ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়ার পর শোরানুর স্টেশনের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে নেটিজেনরা নানা মন্তব্য করেছেন। এক ব্যবহারকারীর কথায়, স্টেশন তৈরির পাশাপাশি সেটি পরিষ্কার ও সুন্দরভাবে রক্ষণাবেক্ষণের কৃতিত্বও কেরালার মানুষের প্রাপ্য। আরেক নেটিজেন দাবি করেছেন, কাসারগোড় থেকে তিরুবনন্তপুরম পর্যন্ত কেরালার বিভিন্ন স্টেশনেই পরিচ্ছন্নতার এমন ছবি দেখা যায়। সে কারণেই কেরালাকে ‘ঈশ্বরের আপন দেশ’ বলা হয় বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
বিজ্ঞাপন
অন্য এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এটাই আমার স্বচ্ছ ভারত।” আরেক নেটিজেন শোরানুর স্টেশন নিয়ে নিজের পুরোনো স্মৃতি ভাগ করেছেন। তাঁর কথায়, ২০০৯ সালের জুন মাসের এক সকালে স্টেশনে নেমে তিনি এক কাপ কফি খেয়েছিলেন। পরিচ্ছন্ন প্ল্যাটফর্ম আর মৃদু বাতাসের সেই স্মৃতি আজও তাঁর মনে আছে। সম্প্রতি দেখা ভিডিওটি তাঁকে সেই দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে।
কেউ কেউ স্টেশনের পরিচ্ছন্নতার পেছনে নাগরিক সচেতনতা ও শিক্ষার ভূমিকার কথাও বলেছেন। তাঁদের মতে, যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলা এবং জনপরিসর পরিষ্কার রাখার অভ্যাসই এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
ভ্রমণের ক্ষেত্রে রেলস্টেশন অনেক সময়ই কোনো জায়গার সঙ্গে পর্যটকের প্রথম পরিচয় তৈরি করে। তাই পরিচ্ছন্ন প্ল্যাটফর্ম, সুন্দর পরিবেশ ও সুশৃঙ্খল পরিকাঠামো যাত্রার অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক করে তুলতে পারে।