যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন, সামরিক অভিযান ও সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে বাজি ধরার বিষয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন দেশটির অধিকাংশ নাগরিক। রয়টার্স ও ইপসোসের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে দ্রুত বিস্তৃত হতে থাকা ভবিষ্যদ্বাণীভিত্তিক বাজির বাজার নিয়ে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যেই সংশয় দেখা গেছে।
জরিপে দেখা গেছে, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বাজি ধরার বিরোধিতা করেছেন ৬৯ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ও ৬১ শতাংশ রিপাবলিকান। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান নিয়ে বাজির বিরোধিতা করেছেন ৬৫ শতাংশ উত্তরদাতা। আর সরকারি নীতি ঘোষণা বা সিদ্ধান্ত নিয়ে বাজি ধরার বিরোধিতা করেছেন ৬৩ শতাংশ।
রাজনীতিবিদ ও তাদের কর্মীদের এ ধরনের বাজিতে অংশ নেওয়া নিয়েও ব্যাপক আপত্তি রয়েছে। জরিপে ৯৩ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ও ৮৯ শতাংশ রিপাবলিকান বলেছেন, আইনপ্রণেতা ও তাদের কর্মীদের রাজনৈতিক বিষয়ে বাজি ধরা অনুচিত।
নীতিনির্ধারকেরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের বাজারে অভ্যন্তরীণ গোপন তথ্য ব্যবহার করে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সরকারি গোপন তথ্যও বাজির ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।
ভবিষ্যদ্বাণীভিত্তিক বাজির বাজারের বড় দুটি প্রতিষ্ঠান পলিমার্কেট ও কালশি বলেছে, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে তাদের সুরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। তাদের দাবি, এসব বাজার বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে কার্যকর পূর্বাভাস দিতে পারে।
তবে এ শিল্পকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিয়ে বিরোধ চলছে। এসব চুক্তিকে কেন্দ্রীয় তদারকির আওতাভুক্ত আর্থিক পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে, নাকি অঙ্গরাজ্যের আইনে জুয়া হিসেবে গণ্য করা হবে, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
জরিপে অংশ নেওয়া তিন-চতুর্থাংশ মানুষ মনে করেন, বাস্তব জীবনের ঘটনা নিয়ে বাজি ধরা জুয়ারই একটি ধরন।
সূত্র: শাফাক নিউজ








মন্তব্য