অস্বাভাবিক শিশু কন্যার ভার সইতে পারছেনা মা

অস্বাভাবিক শিশু কন্যার ভার সইতে পারছেনা মা

নিজের শিশু কন্যার অস্বাভাবিক বড় মাথার ভার আর সইতে পারছেন না মা আফরোজা বেগম। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের আরমান আলীর স্ত্রী আফরোজা। জন্ম থেকেই শিশু মেয়েটির মাথা অনেক বড় এবং ভারী। শিশুটির বয়স এখন আড়াই বছর। আরমান আলী বগুড়ার চান্দাইকোনা খদ্দুরপাড়ার দৌলতপুর ষোল মাইল বেসরকারি মাদ্রাসার একজন কর্মী।  অর্থের অভাবে শিশুটির চিকিৎসা করাতে পারছেন…

নিজের শিশু কন্যার অস্বাভাবিক বড় মাথার ভার আর সইতে পারছেন না মা আফরোজা বেগম। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের আরমান আলীর স্ত্রী আফরোজা। জন্ম থেকেই শিশু মেয়েটির মাথা অনেক বড় এবং ভারী। শিশুটির বয়স এখন আড়াই বছর।

আরমান আলী বগুড়ার চান্দাইকোনা খদ্দুরপাড়ার দৌলতপুর ষোল মাইল বেসরকারি মাদ্রাসার একজন কর্মী।  অর্থের অভাবে শিশুটির চিকিৎসা করাতে পারছেন না আফরোজা বেগম। তাদের আরও দুটি স্কুল পড়–য়া মেয়ে রয়েছে।   আফরোজা রোববার উল্লাপাড়ায় তার প্রতিবন্ধী শিশু কন্যাকে নিয়ে গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে এসেছিলেন।

তিনি জানান, মেয়েটির মাথা অস্বাভাবিক ও ভারী। তাকে দিন রাত ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রায় ১৮ ঘন্টা কোলে করে রাখতে হয়। মাথার ভার নিতে পারে না শিশুটি। ফলে বসিয়ে রাখাও সম্ভব নয়। শুধু তাই নয় সব সময় মাথার পাশে হাতের সাপোর্ট রাখতে হয়। মেয়েটির শরীরের আর সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক। মানসিক অবস্থাও ভালো বলে মনে হয় তাদের।

কিন্তু নিজেদের অর্থিক অনটনের কারণে প্রতিবন্ধী কন্যার চিকিৎসা করাতে পারছেন না। তিনি মেয়েটিকে বাঁচাতে চান। এজন্য তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। আফরোজা মেয়েটির চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করতে গনমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন। সেই সাথে দেশের সহৃদয় ব্যক্তিগনের কাছেও সাহায্য প্রার্থনা করেন।

পত্রিকা একাত্তর / শাহাদত হোসেন

মন্তব্য

0 মন্তব্য

আরও পড়ুন