কৃষকের বরাদ্দ লুটে নিচ্ছে ব্যাবসায়ী সিন্ডিকেট

কৃষকের বরাদ্দ লুটে নিচ্ছে ব্যাবসায়ী সিন্ডিকেট

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালীতে বি সি আই সি কর্তৃক অনুমোদিত সার ডিলার মেসার্স আনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে দরিদ্র কৃষকগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ সরকারি সার স্বল্প এবং পাইকারি দামে কৃষকের কাছে বিক্রি না করে ব্যাবসায়ীদের কাছে সুবিধা আদায়পূর্বক বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।  দরিদ্র ও হতদরিদ্র কৃষকরা যাতে ফসল উৎপাদন করতে হিমশিম না খায় সেজন্য বাজার দরের কমে পাইকারি…

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালীতে বি সি আই সি কর্তৃক অনুমোদিত সার ডিলার মেসার্স আনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে দরিদ্র কৃষকগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ সরকারি সার স্বল্প এবং পাইকারি দামে কৃষকের কাছে বিক্রি না করে ব্যাবসায়ীদের কাছে সুবিধা আদায়পূর্বক বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

দরিদ্র ও হতদরিদ্র কৃষকরা যাতে ফসল উৎপাদন করতে হিমশিম না খায় সেজন্য বাজার দরের কমে পাইকারি দামে বি সি আই সি কর্তৃক অনুমোদিত ডিলারদের মাধ্যমে প্রান্তীক কৃষক পর্যায়ে প্রতি মৌসুমে ইউরিয়া সার বিক্রি করে আসছে যাতে কৃষকরা স্বল্প খরচে ফসল উৎপাদন করে উপকৃত হয়।

মেসার্স আনোয়ারা বেগমের পরিচালক লাভলু মিয়া দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় কৃষকদের পরিবর্তে স্থানীয় ব্যাবসায়ীদের কাছে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বস্তা প্রতি ১১০০/- (এগারো শত) টাকায় বিক্রি করে আসছেন।সেই ব্যাবসায়ীরা গ্রাহক পর্যায়ে ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকা বস্তা বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা লুটে নিচ্ছে। ব্যাবসায়ীরা বাজার দরের থেকেও কম মূল্যে ডিলারের কাছে ইউরিয়া সার সরবরাহ করতে পারলেও কৃষকরা পাচ্ছে না কেন? এর কারন ক্ষতিয়ে দেখতে হবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের।

শুধু তাই নয়, ভালো মানের সারের বস্তাগুলো ব্যাবসায়ীদের কাছে আগেভাগে বিক্রি করে নিম্নমানের সারের বস্তা গোডাউনে সাজিয়ে রাখেন নামমাত্র কৃষকদের কাছে বিক্রি করার জন্য। যদিও মেসার্স আনোয়ারা বেগমের গোডাউন খোলার শিডিউল জানে না কেউ'ই।নিজের খেয়াল খুশিমত গোডাউন পরিচালনা করেন লাভলু মিয়া।কখন আসে কখন যায় তা নির্দিষ্ট করে বলতেও পারে না পার্শ্ববর্তী দোকানদারর ও স্থানীয়রা।

রবিবার ১৪ আগষ্ট নোহালী কচুয়া বাজারের সার ও কীটনাশক ব্যাবসায়ী শফিকুল ইসলামকে ১০ বস্তা, নয়া মিয়াকে ১০ বস্তা এবং অজ্ঞাত আরও তিনজন ব্যাবসায়ীর কাছে ৬৫ বস্তা সার বস্তা প্রতি ১১০০ টাকায় বিক্রি করেন।

কৃষকের সার ব্যাবসায়ীদের কাছে বিক্রির বিষয়ে কথা হয় গঙ্গাচড়া উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান রনী-র সাথে তিনি বলেন,এ রকম অভিযোগ এর আগেও শুনেছি।আমি বিষয়টি আমার উর্ধতন কর্মকর্তাকে অবগত করবো।তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

পত্রিকাএকাত্তর / সানজিম মিয়া

মন্তব্য

0 মন্তব্য

আরও পড়ুন