ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে দশম শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে।
সোমবার বিকালে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করেন ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত)সেলিম আহমেদ।
জানা গেছে, উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের সাতব্রীজ- রামনগর গ্রামের সোমবার বিকালে নিজ বাড়ীতে আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করেন মেয়ের পিতা। ইউএনও(ভারপ্রাপ্ত) সেলিম আহমেদ এমন খবর পেয়ে নিজেই মেয়ের বাড়ীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে যান।
নাবালিকা মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে (৫০০০/-) হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। এসময় মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় এবং এফিডেভিটের বিয়ের কোন বৈধতা নাই মর্মে সকল আনুষ্ঠানিকতা সহ বাল্য বিবাহের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেন এবং বাল্য বিবাহ থেকে বিরত থাকবেন মর্মে মেয়ের অভিভাবকদের অঙ্গিকার করান।জানা যায় পুস্প খাতুন হাজী আরশাদ আলী মাদ্রাসার দশম শ্রেনী পড়ুয়া ছাত্রী ছিলেন।
পত্রিকা একাত্তর/ মাহফুজর রহমান
বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করলেন ইউএনও
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে দশম শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে। সোমবার বিকালে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করেন ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত)সেলিম আহমেদ। জানা গেছে, উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের সাতব্রীজ- রামনগর গ্রামের সোমবার বিকালে নিজ বাড়ীতে আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করেন মেয়ের পিতা। ইউএনও(ভারপ্রাপ্ত) সেলিম আহমেদ এমন খবর পেয়ে নিজেই মেয়ের বাড়ীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে যান।…







মন্তব্য