মাইক্রোসফট-অ্যাডোবিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আবেদন স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

মাইক্রোসফট-অ্যাডোবিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আবেদন স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড কর্মসূচিতে মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি ও আরও কয়েকটি বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করেছে দেশটির সরকার। অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,…

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড কর্মসূচিতে মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি ও আরও কয়েকটি বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করেছে দেশটির সরকার। অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগ মাইক্রোসফট, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস, উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস, ক্যাপজেমিনি ও অ্যাডোবির স্থায়ী শ্রম সনদসংক্রান্ত আবেদন গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অভিযোগ, কিছু প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মী নিয়োগের কর্মসূচির অপব্যবহার করছে, অথচ একই সময়ে মার্কিন কর্মীদের চাকরি কমাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে জানান তিনি।

কর্মসংস্থানভিত্তিক অধিকাংশ গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে ‘পার্ম’ নামে পরিচিত স্থায়ী শ্রম সনদ প্রয়োজন হয়। বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন কর্মীদের চাকরির সুযোগ ও স্বার্থ সুরক্ষিত আছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে পার্ম আবেদনের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা দেওয়া প্রতিষ্ঠান।

এদিকে ২০২৬ অর্থবছরে অনুমোদিত এইচ-১বি ভিসাধারীদের সবচেয়ে বড় নিয়োগদাতা ছিল অ্যামাজন। এরপর রয়েছে টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস, ইনফোসিস, অ্যাপল ও মাইক্রোসফট।

এ ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের বিনিময় কর্মসূচির ভিসার অপব্যবহারের অভিযোগে নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন প্রশাসন। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে হার্ভার্ড, ইয়েল, স্ট্যানফোর্ড, ব্রাউন ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)।

তদন্তে দেখা হবে, বিদেশি প্রভাব, অনিয়মিত আর্থিক সম্পর্ক কিংবা ভিসার অপব্যবহারের কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে কি না।

সূত্র: শাফাক নিউজ

মন্তব্য

0 মন্তব্য

আরও পড়ুন