৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

শুরুটা জোড়া ফিফটিতে যেমন আশা জাগানিয়া হয়েছিল, বিকেলের দিকে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে গেল আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রিত ও ধারালো বোলিংয়ে। প্রথম সেশনে দাপট দেখানো বাংলাদেশ মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে দ্রুত ৩টি উইকেট হারিয়ে হঠাৎই বড় চাপের মুখে পড়েছে। প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশনে…

শুরুটা জোড়া ফিফটিতে যেমন আশা জাগানিয়া হয়েছিল, বিকেলের দিকে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে গেল আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রিত ও ধারালো বোলিংয়ে। প্রথম সেশনে দাপট দেখানো বাংলাদেশ মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে দ্রুত ৩টি উইকেট হারিয়ে হঠাৎই বড় চাপের মুখে পড়েছে। প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশনে ৯৪ রান তুলতেই ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেটের পতন ঘটে। চা বিরতির আগে দলের হাল ধরতে অপরাজিত আছেন লিটন দাস (৩*) এবং মেহেদী হাসান মিরাজ (০*)।

বাংলাদেশের তখন ২ উইকেটে ২২১ রান। এমন সময় ব্যাটার মুমিনুল হক সামনের পায়ে ভর দিয়ে খেলতে গিয়ে ইয়ামিন আহমদজাইর গতি ও ভেতরের দিকে ঢোকা বলে কাভারে রহমত শাহর হাতে ধরা পড়েন। সাজঘরে ফেরার আগে মুমিনুল করেন ৩৯ রান।

মুমিনুলের বিদায়ের পর ক্রিজে নামা আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমকে রানের খাতা খুলতেই দেননি পেসার আহমদজাই। তার মিডল স্টাম্প বরাবরের ইনসুইং ইয়র্কারে সম্পূর্ণ পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন শূন্য রানে মাঠ ছাড়া মুশফিক।

অভিজ্ঞদের এই বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। আফগান স্পিনার কায়েস আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হওয়ার আগে ২৯ রান জমা পড়ে শান্তর ব্যাটে। মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ২২১/২ থেকে হঠাৎই ২২৫/৫ এ পরিণত হয় স্বাগতিক বাংলাদেশ। আফগান পেসার ও স্পিনারদের লাইন-লেংথ এবং গতিময় বোলিংই মূলত ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়।

এর আগে দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। ব্যক্তিগত ৫ রানে জীবন পাওয়া সাদমান শেষ পর্যন্ত খেলেন ৬৭ রানের ইনিংস। সেলিম সাফির বুকসমান এক রিয়ারিং বাউন্সারে পুল খেলতে গিয়ে স্কয়ার লেগে জিয়া-উর-রহমানের দারুণ ক্যাচে পরিণত হন তিনি। অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমও দারুণ ব্যাটিং উপহার দিয়ে খেলেছেন ৮৩ রানের ইনিংস।

মন্তব্য

0 মন্তব্য

আরও পড়ুন