১২৪-৬, সেখান থেকেই ২১৪ রানের বড় জয়; এই না হলে অস্ট্রেলিয়া!

১২৪-৬, সেখান থেকেই ২১৪ রানের বড় জয়; এই না হলে অস্ট্রেলিয়া!

ডারবানে প্রথম টেস্টে বড় জয়ের স্বাদ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আর তাতেই দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হিসেবে প্রথম হারের স্বাদ পেলেন টেম্বা বাভুমা। ডারবানের কিংসমিডে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২১৪ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। আর তাতেই টেস্ট অধিনায়ক…

ডারবানে প্রথম টেস্টে বড় জয়ের স্বাদ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আর তাতেই দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হিসেবে প্রথম হারের স্বাদ পেলেন টেম্বা বাভুমা। ডারবানের কিংসমিডে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২১৪ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। আর তাতেই টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে টেম্বা বাভুমার দীর্ঘ অপরাজেয় যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।

অথচ, প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১৪ রান সংগ্রহ করতেই প্রথম সারির ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সেই ধ্বংসস্তুপ থেকেই দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় প্যাট কামিন্সের দল। দ্বিতীয় ইনিংসে জশ হ্যাজলউডের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ৪২১ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ম্যাচের শেষ দিনে আজ মাত্র ২০৬ রানেই অলআউট হয়ে যায় প্রোটিয়ারা।

এই ম্যাচটা আসলে রেনশর বললেও বেশি বাড়াবাড়ি হবে না। কেননা, দুই ইনিংস মিলিয়েও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের কেউ ফিফটিই পাননি। রেনশ সেখানে প্রথম ইনিংসে ১৯০ রানের দুর্দান্ত একটা ইনিংস খেলেছিলেন, দ্বিতীয় ইনিংসেও তার ব্যাট থেকে আসে ৮২ রান।

প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ৩৯০ রান করে, দক্ষিণ আফ্রিকা করতে পারে ২৮৪ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ৩১৪ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস ঘোষণা করে। ৪২১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শেষ দিনের দ্বিতীয় সেশনে ২০৬ রানে অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা, তাদের হয়ে মার্করামের একার লড়াই আর অবিশ্বাস্য কিছুতে রূপ নেয়নি। এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হিসেবে টেস্ট হারলেন বাভুমা। আগের ১২ টেস্টের ১১টিতে জিতেছিলেন তিনি, একটি ড্র।

৪ উইকেটে ১০২ রান নিয়ে আজ শেষ দিন শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এখান থেকে জিততে হলে বিশ্বরেকর্ড গড়তে হতো তাদের, ড্র করতেও প্রয়োজন ছিল অবিশ্বাস্য কিছুর। সেই পথে দক্ষিণ আফ্রিকাকে একাই কিছুটা আশা দেখান এইডেন মার্করাম।

ওপেনার হিসেবে ব্যাটিংয়ে নামা মার্করাম প্রায় একাই লড়াই করেন। উইয়েন মুল্ডারের সঙ্গে প্রথম সেশনটা উইকেট হারানো ছাড়াই প্রায় কাটিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু শেষ ২০ মিনিটে দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

১১০ বল খেলা মুল্ডার হ্যাজলউডের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিলে মার্করামের সঙ্গে তার ৬৯ রানের জুটি ভাঙে। পরের ওভারেই আউট হয়ে যান কাইল ভেরানে। তাঁদের বিদায়ের পর কিছুক্ষণ ইয়ানসেনকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান মার্করাম।

কিন্তু ৩৫ রান করে তিনিও বোল্ড হয়ে যান মুল্ডারের বলে। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি এসে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে মিচেল স্টার্কের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মার্করামও। দক্ষিণ আফ্রিকার আশাটাও শেষ হয়ে যায় সেখানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নেন হ্যাজলউড।

মন্তব্য

0 মন্তব্য

আরও পড়ুন