ইউক্রেনের অস্ত্র সরবরাহ ও গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

ইউক্রেনের অস্ত্র সরবরাহ ও গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে ইউক্রেনের হামলা বন্ধ করতে দেশটিকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য ন্যাটোর সমন্বয়ে পরিচালিত অস্ত্র কেনার একটি কর্মসূচি স্থগিত এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধের হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রোববার এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল…

রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে ইউক্রেনের হামলা বন্ধ করতে দেশটিকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য ন্যাটোর সমন্বয়ে পরিচালিত অস্ত্র কেনার একটি কর্মসূচি স্থগিত এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধের হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রোববার এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা বন্ধ করতে কিয়েভ ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তার ফোন পাওয়ার কথা জানানো এক ইউরোপীয় কর্মকর্তা বলেন, ওয়াশিংটন কিয়েভসহ ইউরোপের সবাইকে ফোন করছে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

ন্যাটোর সমন্বয়ে পরিচালিত অস্ত্র কেনার কর্মসূচিটির নাম ‘প্রায়োরিটাইজড ইউক্রেন রিকোয়ারমেন্টস লিস্ট’ (পিইউআরএল)। এর আওতায় ন্যাটোর সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর অর্থায়নে ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা হয়। ন্যাটোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এ কর্মসূচির আওতায় মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য মিত্রদেশগুলো ৬০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এরই মধ্যে এসব সরঞ্জাম সরবরাহের কার্যক্রম চলছে।

এর আগে রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন তাৎক্ষণিকভাবে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, কিয়েভ এ ধরনের সমঝোতায় রাজি থাকলেও ওয়াশিংটনের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়াকেও এ সমঝোতায় সম্মত হতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জেলেনস্কির অভিযোগ, রাশিয়ার বাহিনী এখনো ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের উচ্চমূল্যের পেছনে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলাকে দায়ী করছেন ট্রাম্প। এ কারণেই তিনি হামলা বন্ধ করতে চাপ দিচ্ছেন।

গত ৯ অক্টোবর ট্রাম্প ঘোষণা দেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে সরবরাহের জন্য রাশিয়া ডিজেল সরবরাহ করবে। জ্বালানির সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: শাফাক নিউজ

মন্তব্য

0 মন্তব্য

আরও পড়ুন