জরুরি তেলের মজুত কমছে, নতুন ঝুঁকির সতর্কতা আইএমএফের

জরুরি তেলের মজুত কমছে, নতুন ঝুঁকির সতর্কতা আইএমএফের

জরুরি তেলের মজুত কমে আসা এবং সরকারি ঋণের চাপ বাড়তে থাকায় বৈশ্বিক অর্থনীতি শিগগির সহনশীলতার সীমা পরীক্ষা করার মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। মঙ্গলবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের…

জরুরি তেলের মজুত কমে আসা এবং সরকারি ঋণের চাপ বাড়তে থাকায় বৈশ্বিক অর্থনীতি শিগগির সহনশীলতার সীমা পরীক্ষা করার মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

মঙ্গলবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব এখন পর্যন্ত আশঙ্কার তুলনায় কম হলেও নতুন করে ভূরাজনৈতিক সংকট দেখা দিলে জ্বালানির দাম ও সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধাক্কা লাগতে পারে। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল সরবরাহ এবং জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার কারণে এত দিন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এখন মজুত কমে যাওয়ায় সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা দুর্বল হচ্ছে।

আইএমএফ চলতি বছরের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৩ দশমিক ১ শতাংশ করেছে। তবে আগামী বছর যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ১ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। সংস্থাটির আশঙ্কা, দীর্ঘ সময় তেলের দাম বেশি থাকলে ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ কমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে কিংবা জ্বালানি অবকাঠামোয় নতুন হামলা ও সাইবার আক্রমণ হলে খাদ্য ও জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে। চলতি বছর বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং আগামী বছর ৪ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ।

সংস্থাটির প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সরকারগুলোকে প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিতে দেরি না করার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির সাময়িক বৃদ্ধি নিয়ে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি।

জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকেন্দ্রিক বিনিয়োগের কারণে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধসের ঝুঁকিও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের বিষয় বলে উল্লেখ করেছে আইএমএফ।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মন্তব্য

0 মন্তব্য

আরও পড়ুন