প্রীতম হাসান ও শেহতাজ মনিরার বিচ্ছেদের ঘোষণা আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। নেটিজেনদের প্রশ্ন একটাই, কী কারণে তাদের এমন সিদ্ধান্ত? তারকা দম্পতির বিচ্ছেদের কারণ খুঁজতে গিয়ে অসমর্থিত বিভিন্ন সূত্রে নানা গুঞ্জনের তথ্য পেয়েছে কালবেলা অনলাইন।
তবে ব্যক্তিগত সেসব বিষয় বাদ দিয়ে সবচেয়ে বেশি সামনে এসেছে প্রীতমের ব্যস্ততা, অবহেলা এবং শেহতাজের বদলে যাওয়ার প্রসঙ্গ।
প্রীতম হাসানের ঘনিষ্ঠ এক মিউজিশিয়ান কালবেলা অনলাইনকে বলেন, ‘শো নিয়ে প্রীতমের ব্যস্ততা দিন দিন বাড়ছে। এতে সংসারের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। আমরা শুনেছি শেহতাজ এসব কারণে বদলে যেতে থাকেন।’
এছাড়া শেহতাজের ঘনিষ্ঠ আরেকজন বলেন, ‘প্রীতমের ব্যস্ততায় শেহতাজের বদলে যাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক ছিল। অভিযোগ প্রীতমের প্রতি যেমন আছে, আছে শেহতাজকে নিয়েও। এসব নিয়ে তারা কয়েক মাস ফেডআপ ছিলেন। তারপর ঝামেলার শুরু।
সেপ্টেম্বরের শুরুতে তাদের ডিভোর্স হয় বলে শুনেছি। বাকিটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। এসব মিডিয়ায় বলতে চাই না।’
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শেহতাজ জানান, পারস্পরিক সমঝোতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে তারা বিবাহবিচ্ছেদের পথে এগোচ্ছেন। সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর মডেল ও অভিনেত্রী শেহতাজ মুনিরা হাশেমকে বিয়ে করেন। এর আগে প্রায় পাঁচ বছর প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন তারা। ২০১৭ সালে প্রীতমের ‘জাদুকর’ গানের মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার সময় তাদের পরিচয় হয়। সেখান থেকেই তাদের সম্পর্কের শুরু।
রাত ১০টা ৪২ মিনিটে দেওয়া এক পোস্টে শেহতাজ লেখেন, ‘আমরা একসঙ্গে ভাগ করে নেওয়া স্মৃতিগুলোর জন্য কৃতজ্ঞ এবং এখনো একে অপরের প্রতি যত্নশীল। তবে সময়ের সঙ্গে আমরা উপলব্ধি করেছি যে, পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাবে আলাদা পথ চলাই আমাদের জন্য ভালো। অনেক ভেবেচিন্তে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। আমাদের পরিবারের সমর্থন নিয়ে আমরা এখন বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছি।’
শেহতাজ আরও লেখেন, ‘এই পরিবর্তনের সময়ে আমরা আমাদের বন্ধু, সহকর্মী ও গণমাধ্যমের কাছে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও পরিস্থিতির প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার অনুরোধ করছি; যেন আমরা জীবনের এই নতুন অধ্যায়টি সামলে সামনে এগিয়ে যেতে পারি। আপনাদের বোঝাপড়া ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’








মন্তব্য