আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে আবুধাবির আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টিকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচের আগে সদ্য সমাপ্ত জাপানের এশিয়ান গেমস থেকে আসা ক্রিকেটারদের দ্রুত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় ভাবনার বিষয়।
তুলনামূলক ঠান্ডা জলবায়ুর দেশ জাপান থেকে দিনকয়েক আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসে পৌঁছান দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। আবুধাবির তপ্ত আবহাওয়ায় নিজেদের প্রথম অনুশীলন সেশনে অংশ নিয়ে ক্রিকেটারদের কিছুটা হিমশিম খেতে দেখা গেছে।
এ ছাড়া, জাপানে অবস্থানকালে বৃষ্টির কারণে হোটেলের চার দেয়ালেই বন্দি থাকতে হয়েছিল দলকে। ফলে মাঠের প্রাক-প্রস্তুতির সুযোগ তারা পাননি বললেই চলে। তবে পুরো বিষয়টিকে প্রধানত একটি ‘মানসিক চ্যালেঞ্জ’ বলেই মনে করছেন সিমন্স।
সিমন্স বলেন, সত্যি বলতে, এই মুহূর্তে আমাদের একমাত্র বড় চ্যালেঞ্জ হলো- জাপানের এশিয়ান গেমস খেলে আসা ক্রিকেটাররা কীভাবে এখানে মানিয়ে নেয়। সেখানে তারা খুব বেশি অনুশীলনের সুযোগ পায়নি, আর সেখান থেকে সোজা এসে এখন এমন তপ্ত আবহাওয়ায় মানিয়ে নিতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এমন আবহাওয়ায় দুই দিন হলো আমরা এসেছি। দিনশেষে পুরো বিষয়টাই একটা মানসিক ব্যাপার- তারা নিজেদের কীভাবে প্রস্তুত করে তুলছে সেটাই আসল। প্রথম দিনের গরম অনুশীলনে ওদের যথেষ্ট ভালোই মনে হয়েছে। আশা করছি তারা আবহাওয়ার সাথে নিজেদের ঠিকঠাক মানিয়ে নিতে পারবে।
আবুধাবির উইকেট প্রসঙ্গে সিমন্স জানান, উইকেট দেখতে বেশ ভালো মনে হলেও এটি কিছুটা শ্লথ বা ধীরগতির হতে পারে। বিপক্ষ দলে বৈচিত্র্যময় স্পিন আক্রমণের প্রাচুর্য থাকায় ম্যাচটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমি উইকেট পর্যবেক্ষণ করেছি, পিচ যথেষ্ট ভালো মনে হচ্ছে। কিছুটা ধীরগতির হতে পারে, তবে ওভারঅল এটি একটি মানসম্পন্ন উইকেট।
প্রস্তুতির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বাংলাদেশ কোচ বলেন, আমরা ভালো উইকেটে খেলার জন্যই নিজেদের প্রস্তুত করছি। আমরা জানি প্রতিপক্ষ দলে বেশ কয়েকজন বিশ্বমানের স্পিনার রয়েছে, তাই সব ধরনের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই আমাদের পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। প্রস্তুতি বেশ চমৎকার হয়েছে, ছেলেরা কঠোর পরিশ্রম করছে এবং আগামী দু-একদিনের মধ্যেই আমরা মাঠে নামতে দারুণভাবে মুখিয়ে আছি।








মন্তব্য