আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচের প্রথমার্ধ কেটেছে গোলশূন্যে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোরে ফিফা প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা-বেনিন দুই দলই গোলের একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও বল জালে পাঠাতে পারেনি কেউ।
এস্তাদিও মনুমেন্টালে ঐতিহাসিক ম্যাচটি সময় মতো মাঠে গড়াতে পারেনি। নানা আনুষ্ঠানিকতা সারতে ১৫ মিনিট পিছিয়ে শুরু হয় ম্যাচ।
ম্যাচের আগেই মাঠে উপস্থিত ৮৫ হাজারের দর্শকের অফুরন্ত ভালোবাসা পান মেসি। জাতীয় সংগীতের সময় আপ্লুত হতে দেখা যায় তাকে। এছাড়া ম্যাচের আগে বেনিনের পক্ষ থেকে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় বিশেষ উপহার।
বিদায়ী ম্যাচে এখনও গোল না পেলেও সেরা খেলোয়াড় ওই মেসিই। গোলের একাধিক সুযোগ তৈরি করেছেন তিনি। বেনিনের গোলমুখে নেওয়া প্রথম শটটিই ছিল তার। যদিও প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক সেটি রুখে দেন। এরপর ফ্রি কিক থেকেও বল জালে জড়ানোর সুযোগ এসেছিল মেসির সামনে। এ যাত্রায়ও বাধা বেনিন গোলরক্ষক মার্সেল দান্দজিনু।
প্রথমার্ধের শেষদিকে লাউতারো মার্টিনেজের দারুণ এক ক্রসে গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন মেসি। তবে ভলিতে নেওয়া তার শটটি পোস্ট ঘেঁষে চলে গেলে হতাশাই বাড়ে আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর।
ম্যাচে বেনিনও গোলের সুযোগ তৈরি। লক্ষ্যে দুটি শট রাখলেও এমিলিয়ানো মার্টিনেজের দৃঢ়তায় অতিথিরাও গোলের দেখা পায়নি।
এদিকে, খেলা চলাকালীন ১০ মিনিটের সময় বাঁশি বাজিয়ে খেলা থামিয়ে দেন রেফারি। এসময় মাঠের খেলোয়াড়, বেঞ্চে থাকা কোচিং স্টাফ এবং গ্যালারির দর্শক- সবাই দাঁড়িয়ে পড়েন।
মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সেই ভালোবাসা গ্রহণ করেন মেসি। সতীর্থদের সঙ্গে তিনিও হাততালি দেন, পরে দর্শকদের উদ্দেশে হাত নেড়ে অভিবাদনের জবাব দেন। টানা প্রায় এক মিনিট ধরে চলে এই বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন।
বিদায়ী ম্যাচের আগে মেসির জন্য মাঠে নামানো হয় বিশাল আকারের ১০ নম্বর জার্সি। তবে সেখানে ছিল না তার নাম। লেখা ছিল ‘Gracias’। সেই দৃশ্যের পর থেকেই গ্যালারিতে শুরু হয় ‘মেসি, মেসি’ স্লোগান।








মন্তব্য