নারায়ণগঞ্জে রাতে বাড়ি ফেরার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
হামলা ১৫ থেকে ২০ জনের দল ধারালো অস্ত্র দিয়ে করে
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি · সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ:
গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের যুবদল সভাপতি জহির ফকির (৪৫)কে ১৫-২০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আক্রমণ করে মেরে ফেলেছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, আক্রমণের পরে তাকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বিজ্ঞাপন
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদল সদস্যসচিব খোরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, "জহির যুবদলের একজন ত্যাগী নেতা ছিলেন। তাঁর বাড়ি কালাপাহাড়িয়া এলাকায় হলেও তিনি মুন্সিগঞ্জে বসবাস করতেন। তিনি জানতে পেরেছেন, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল জহিরকে হত্যা করেছে।
তিনি বলেন, ‘জহির প্রায়ই আমাকে বলতেন, তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে। তবে কার সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল, তা জানি না।’" ইসমাইল হোসেন ও বিল্লাল হোসেন অভিযোগ করেন, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে জহিরের সঙ্গে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মোবারক হোসাইনের দীর্ঘদিনের বিরোধের ফলে এই হামলা ঘটেছে এবং মোবারক ও তার লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে আড়াইহাজার থেকে এসে জহিরকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। তারা জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মোবারক হোসাইনের বক্তব্য জানার জন্য ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে ফোনটি বন্ধ থাকায় কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহ মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে এবং হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।