ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানের ঘটনায় নিরাপত্তা ত্রুটির অভিযোগের পর বিদেশি পাইলটদের নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান, সিরিয়া বা ইরাকের নাগরিকত্ব থাকা কোনো পাইলট তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা পাইলটদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব দেশের নাগরিকদের ইসরায়েল ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচনা করে, তাদের বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ফ্লাইদুবাইয়ের পাইলটদের তালিকা পেয়েছিল। তবে ওই পাইলটদের নাম প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে যায়নি। নিরাপত্তা ত্রুটির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষও ইসরায়েলকে সহায়তা করছে।
এর আগে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটের সহকারী পাইলটের বিরুদ্ধে বিমানের ক্যাপ্টেনকে জরুরি কাজে ব্যবহৃত কুঠার দিয়ে হামলা করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল শামসি জানিয়েছেন, তদন্তে ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বুধবার দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটটি জরুরি সংকেত পাঠানোর পর সৌদি আরবের দিকে ঘুরে যায়। একই সময় উড়োজাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, এক পাইলট অন্য পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে যাত্রী ও ক্রুরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে তিনি দাবি করেন।
সূত্র: শাফাক নিউজ








মন্তব্য