বার্সেলোনা ও স্পেন ফুটবলের বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামাল মনে করেন, তার কম বয়সই ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ১৯ বছর বয়সী এই উইঙ্গারের মতে, তিনি ইতোমধ্যেই বিশ্বসেরাদের কাতারে পারফর্ম করলেও ফুটবল সংশ্লিষ্ট ও ভোটারদের মধ্যে একটি মানসিকতা কাজ করে- তরুণ খেলোয়াড়দের সামনে পুরস্কারটি জেতার জন্য আরও অনেক সময় পড়ে আছে।
গার্ডিয়ান স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের বরাতে গোলডটকম এ তথ্য জানিয়েছে। সাক্ষাৎকারেই নিজের এই দৃষ্টিভঙ্গির কথা খোলাসা করেছেন ইয়ামাল। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম জোরালো দাবিদার হিসেবে ভাবা হচ্ছে তাকে। কিন্তু ভোটিং প্রক্রিয়ার প্রতি নিজের সংশয় প্রকাশ করে ইয়ামাল বলেন, যদি সত্যি বলি, আমার বয়স মাত্র ১৯ বছর হওয়ায় সবাই ভাবে লামিন তো ভালো খেলছেই, সে ভবিষ্যতে কোনো না কোনো সময় ব্যালন ডি’অর জিতবেই। তাই হয়তো কিলিয়ান এমবাপ্পে, রদ্রি, কাভারাৎসখেলিয়া, মেসি কিংবা হ্যারি কেইনদের কথা আগে ভাবা হতে পারে। সবাই ধরে নেয় আমি তো আছিই, পরে হলেও জিতব।
নিজের এই যুক্তির সপক্ষে কিলিয়ান এমবাপ্পের উদাহরণ টেনেছেন স্প্যানিশ এই তরুণ তারকা। ২০১৮ সালে ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে এমবাপ্পেও একইভাবে বিশ্বমঞ্চে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হওয়া সত্ত্বেও ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তিগত পুরস্কারটি এখনো ফরাসি তারকার হাতে ওঠেনি।
ইয়ামালের ভাষায়, এমবাপ্পের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। ও যখন তরুণ ছিল, সবাই বলেছিল সে একদিন ঠিকই জিতবে। কিন্তু দেখুন, এত বছর পরও ও এখনো ব্যালন ডি’অর পায়নি। তাই এসব নিয়ে আমি ভাবি না। আমার নিয়ন্ত্রণে কেবল ম্যাচ জেতা এবং ধারাবাহিক পারফর্ম করা। আশা করি এমন এক সময় আসবে যখন এটি নিয়ে আর কোনো বিতর্ক থাকবে না।
ইয়ামাল নিজেকে শুধু ‘উদ্যমান তারকা’ হিসেবে দেখতে নারাজ। তার দাবি, গত বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি ব্যালন ডি’অর পাওয়ার মতো মানের ফুটবল খেলছেন। যারা ফুটবল ভালো বোঝেন, তারা মাঠে তার প্রভাব ও পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত আছেন বলে মন্তব্য করেন এই বার্সা ফরোয়ার্ড।
সূত্র: গোলডটকম








মন্তব্য