কেপ টাউনে আগামী বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি। টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক এক বছর আগের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)। একই সঙ্গে সেদিন থেকেই শুরু হবে বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া। এর আগে গত ১৫ আগস্ট ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, আগামী বছরের ২ অক্টোবর- গান্ধী জয়ন্তীর দিন পর্দা উঠবে এই বিশ্বকাপের। আর ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ২১ নভেম্বর, ২০২৭।
বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১৪টি দলের মধ্যে ১০টি দল নির্ধারিত হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে, যা দল বাছাইয়ের নির্ধারিত শেষ সময়। স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে। বাকি আটটি দল সুযোগ পাবে আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। আর বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা বাকি চারটি দলের নাম সূচিতে থাকবে ‘কোয়ালিফায়ার ১, ২, ৩ ও ৪’ হিসেবে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের পাশাপাশি নামিবিয়াও অন্যতম স্বাগতিক দেশ হলেও, তাদের সরাসরি খেলা এখনো নিশ্চিত নয়।
র্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার দৌড়ে এগিয়ে থাকা আটটি দল হলো- ভারত (১ম), নিউজিল্যান্ড (২য়), পাকিস্তান (৪র্থ), অস্ট্রেলিয়া (৫ম), ইংল্যান্ড (ষষ্ঠ), শ্রীলঙ্কা (সপ্তম), আফগানিস্তান (অষ্টম) এবং বাংলাদেশ (নবম)। র্যাঙ্কিংয়ে নবম স্থানে থাকলেও স্বাগতিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা সরাসরি জায়গা পাওয়ায় কপাল খুলেছে বাংলাদেশের। অন্যদিকে, বর্তমানে ভারতে ওয়ানডে সিরিজ খেলা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আগামী বছরের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাছাইপর্ব পেরিয়েই মূল আসরে জায়গা করে নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপের টিকিট পেতে ব্যালট বা লটারি প্রক্রিয়াও চালু করবে আইসিসি। অর্থাৎ, সেদিনই সরাসরি টিকিট কেনা না গেলেও সমর্থকরা ১ অক্টোবর থেকে টিকিট ক্রয়ের জন্য রেজিস্ট্রেশন বা নাম নিবন্ধন করতে পারবেন।
আইসিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের আগে ২০২৭ বিশ্বকাপকে মোট তিনটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে। ১৪টি কোয়ালিফাইড দলের মধ্যে র্যাংকিংয়ের নিচের দিকে থাকা তিনটি দল নিয়ে রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে একটি ‘সুপার সিরিজ’ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হবে। এই পর্বের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা দলটি উঠবে পরবর্তী ধাপে।
দ্বিতীয় রাউন্ডে ১২টি দল দুটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে মোট ৩০টি ম্যাচ খেলবে, যেখানে প্রতিটি দল একে অপরের মুখোমুখি হবে। দুই গ্রুপের শীর্ষ তিনটি করে দল এবং উভয় গ্রুপের রানার্সআপ বা পরবর্তী সেরা একটি দলসহ মোট সাতটি দল খেলবে ‘সুপার সেভেন’ পর্বে।
সুপার সেভেন পর্বে ২১টি রাউন্ড-রবিন ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখান থেকে পয়েন্ট তালিকার সেরা চারটি দল জায়গা করে নেবে সেমিফাইনালে। সেমিফাইনালে সুপার সেভেনের শীর্ষ দল লড়বে চতুর্থ স্থানের দলের বিপক্ষে এবং দ্বিতীয় দল মুখোমুখি হবে তৃতীয় দলের। দুই সেমিফাইনালে জয়ী দলগুলো শিরোপার লড়াইয়ে চূড়ান্ত ফাইনালে মুখোমুখি হবে।
সূত্র: ক্রিকবাজ








মন্তব্য