ঢাবি শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়তে এক মাস সময় দেওয়ার দাবি
জাতীয় ছাত্রসভা তিন দফা দাবি জানিয়েছে, নারী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও হল নির্মাণের ত্বরান্বিত কাজসহ
ঢাকা জেলা প্রতিনিধি · ঢাকা
প্রকাশ:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে আজ রোববার বিকেলে জাতীয় ছাত্রসভা (ন্যাশনাল স্টুডেন্ট সোসাইটি) আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার থেকে স্বল্প নোটিশে সাবলেট ও ভাড়াটে শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানায়। সংগঠনের সংগঠক ও সংসদ সদস্য শিমু আক্তার (ইজিএস শিমু আক্তার) লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং এক মাসের সময়ের দাবি তুলে ধরেন।
বিজ্ঞাপন
শিমু আক্তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আবাসনসংকটের কারণে বহু শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় সাবলেট নিয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, বিশেষ করে নবীন ও নারী শিক্ষার্থী। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ২৯ অক্টোবরের গণবিজ্ঞপ্তিতে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আজিমপুর সরকারি কলোনি থেকে সব সাবলেট ও ভাড়াটেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা এক সপ্তাহের নোটিশে অমানবিক ও অযৌক্তিক।
সংগঠন জানায়, দুর্গাপূজার ছুটি শেষে ১ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হয়েছে, আর হঠাৎ বাসা ছাড়ার নোটিশে শিক্ষার্থীদের সংকট চরমে পৌঁছেছে, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ বিকল্প আবাসন খুঁজে পাওয়া কঠিন।
জাতীয় ছাত্রসভার সংগঠক রেজওয়ান আহমেদ বলেন, সরকারি বাসভবনে সাবলেট থাকা আইনগতভাবে ঠিক না হলেও উচ্ছেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম মানবিক সময় দেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকাল সেখানে থাকতে চান না; তারা নতুন বাসা খুঁজে নেওয়ার জন্য যৌক্তিক সময় চান এবং বর্তমানে অনেকেই আতঙ্কে বাসায় ফিরতে পারছেন না।
সংগঠন তিন দফা দাবি তুলে ধরেছে: (১) মানবিক বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়ার জন্য অন্তত এক মাস সময় দেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নিতে বলা; (২) এই সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের হয়রানি, চাপ বা জোরপূর্বক উচ্ছেদ না করা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; (৩) আবাসনসংকটের স্থায়ী সমাধানে হল নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করা।
বিজ্ঞাপন
জাতীয় ছাত্রসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দাবিগুলো শিগগিরই স্মারকলিপি আকারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হবে।