সাবিলা নূরের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে বিয়ে ভেঙেছে, অভিযোগ আবদুল মামুনের প্রেমিকা তিশার
এ বিষয়ে সাবিলা নূর, নেহাল তাহের ও আবদুল মামুনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি
বিনোদন ডেস্ক · ঢাকা
প্রকাশ:
দাম্পত্য টানাপড়েনের গুঞ্জন চলছে অভিনেত্রী সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরকে নিয়ে। এর মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন চিত্রগ্রাহক (ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি বা ডিওপি) আবদুল মামুন। মামুনের দীর্ঘদিনের প্রেমিকা তিশার গুরুতর অভিযোগ, সাবিলার সঙ্গে মামুনের প্রেমের কারণে তার সাত বছরের প্রেম ও বিয়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি ভেঙে গেছে। এ নিয়ে সাবিলা নূর, নেহাল তাহের বা আবদুল মামুন কেউই এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।
বিজ্ঞাপন
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিশা জানান, সাবিলা নূরের অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর তার বিয়ের কথা ছিল। শাকিব খানের মতো শীর্ষ তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগের কথা ভেবে বিয়ের তারিখ পেছাতে তিনি নিজেই সম্মত হন।
তিশার ভাষ্য অনুযায়ী, শুটিং শেষ হতেই মামুন হঠাৎ বলে দেন যে তিনি আর বিয়ে করবেন না। কারণ জিজ্ঞেস করেও স্পষ্ট জবাব পাননি তিশা। পরে তিনি জানতে পারেন, সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
তিশা বলেন, ‘যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে। দুই পরিবার থেকে বিয়ের সব আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আবদুল মামুন হঠাৎ করে জানায়, সে বিয়ে করতে চায় না। পরবর্তীতে জানতে পারি, সাবিলা নূরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে আবদুল মামুন।’
তিশার আরও অভিযোগ, সিদ্ধান্ত পাল্টাতে মামুনের পরিবারের লোকজনও তাকে বুঝিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।
বিজ্ঞাপন
তিশার দাবি, ‘রকস্টার’-এর শুটিং চলার সময়ই সাবিলা ও মামুনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। তিনি বলেন, শোবিজ অঙ্গনের অনেকে এই সম্পর্কের খবর রাখেন। এ ঘটনার পর মামুনের সঙ্গে তার সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এমন পরিণতিতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলেও জানান।
আক্ষেপ করে তিশা বলেন, ‘ওরা দুজন আমার সঙ্গে কাজটি ভালো করেনি। সাবিলা নূর আমাদের বিষয় সব জানতেন। কিন্তু সে মেয়ে হয়েও একটিবার আরেকটি মেয়ের কথা ভাবেনি। আবদুল মামুন একজন তারকা পেয়ে আমাকে ভুলে গেছে।’
তিশা জানান, আইনি পথে যাওয়ার কথা তার পরিবার ভাবলেও তিনি নিজে রাজি হননি। শেষ মুহূর্তে কেন বিয়েটি ভেঙে গেল, তা নিয়ে মামুনের কাছ থেকে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যাও তিনি পাননি।
অন্যদিকে সাবিলা নূর ও নেহাল সুনন্দ তাহেরের সংসার নিয়েও ইদানীং নানা কথা ছড়াচ্ছে। সাত বছর প্রেম করার পর ২০১৯ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই দম্পতি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এবং তারা আলাদা থাকছেন। সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অবশ্য দুজনের কেউই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি।
বিজ্ঞাপন
সাবিলা নূর ও শাকিব খানকে নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয়ের সূত্র ধরে তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা দাবি উঠলেও এর সপক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ‘রকস্টার’-এর পরিচালক আজমান রুশোর বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি তাৎক্ষণিক বিস্তারিত বলতে অপারগতা জানান। পরে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিক বার্তা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।