দেশে পৌঁছাল রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান
রাশিয়ার রসাটম কর্তৃক সরবরাহকৃত এই জ্বালানি কঠোর নিরাপত্তায় প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়েছে
পাবনা জেলা প্রতিনিধি · ঈশ্বরদী, পাবনা
প্রকাশ:
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২-এর চুল্লিপাত্রে লোডিংয়ের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালানটি বাংলাদেশে পৌঁছেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটমের আওতাধীন নভোসিবির্স্ক কেমিক্যাল কনসেন্ট্রেটস প্ল্যান্টে এই জ্বালানি তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ কার্গো ফ্লাইটে আসা এই চালানটি গত সোমবার ঢাকায় পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার কড়া নিরাপত্তায় রূপপুর প্রকল্প এলাকায় স্থানান্তর করা হয়।
বিজ্ঞাপন
রসাটমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রূপপুর সাইটে পৌঁছানোর পর জ্বালানি কনটেইনারগুলো একটি নির্দিষ্ট ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল সংরক্ষণাগারে রাখা হয়েছে। পারমাণবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি অ্যাসেম্বলিগুলো বাধ্যতামূলক ভিজ্যুয়াল ও ইনস্ট্রুমেন্টাল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাবে। বাংলাদেশ, জেনারেল কনট্রাক্টর এবং জ্বালানি প্রস্তুতকারকের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটি যৌথ কমিশন এই পরিদর্শন পরিচালনা করবে।
প্রকল্প সূত্র জানায়, এর আগে রূপপুর ইউনিট-১-এর প্রথম রিফুয়েলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্রেশ জ্বালানি সাইবেরিয়া থেকে আনা হয়েছিল। প্রথম ইউনিটের সব জ্বালানি ২০২৩ সালে রূপপুরে পৌঁছায় এবং গত মে মাসে চুল্লিপাত্রে জ্বালানি প্রবেশ করানোর কাজ শেষ হয়। এছাড়া অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত জ্বালানি রূপপুরে এসে পৌঁছেছে।
দেশের সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাস্তবায়ন করছে। ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিটের এই কেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড। রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ করছে।