কুষ্টিয়ায় স্টেডিয়ামে সমাবেশের অনুমতি প্রশাসনের, অনড় জামায়াত
প্রশাসন শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাবেশের অনুমতি দিলেও জামায়াত জিলা স্কুল মাঠেই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে।
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি · কুষ্টিয়া
প্রকাশ:
কুষ্টিয়ায় ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী জনসভার জন্য শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার জাকিউল আলমের স্বাক্ষরিত অনুমতিপত্রে আটটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অনুমতিপত্রে উল্লেখ করা হয়, জনসভায় কোনো ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন আলোচনা থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে তার দায়ভার আয়োজকদের নিতে হবে এবং স্টেডিয়ামের মাঠ ছাড়া অন্য কোনো স্থান ব্যবহার করা যাবে না। পুলিশ সুপারের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ১৩ অক্টোবর করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
তবে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের বিপরীতে অনড় অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সোমবার রাত সোয়া ১১টার দিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক জানান, ‘আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট। ইনশা আল্লাহ, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠেই ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’
জামায়াতের দাবি, প্রথমে স্টেডিয়ামের অনুমতি না পাওয়ায় তারা জিলা স্কুল মাঠকে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে বেছে নিয়েছিল। দলটির ভাষ্যমতে, জেলা প্রশাসক ও খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের মৌখিক অনুমতির পর তারা সব ধরণের প্রচার-প্রচারণা সম্পন্ন করেছে। কর্মসূচির মাত্র পাঁচ দিন আগে স্টেডিয়ামের প্রসঙ্গ তুলে জটিলতা তৈরির ঘটনায় দলটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনামুল হক কর্মসূচি সফল করতে প্রশাসন ও জনগণের সহযোগিতা চেয়েছেন। একইসঙ্গে দলের নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ও শৃঙ্খলার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত।