আতলেতিকো সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন হুলিয়ান আলভারেজ
দেপোর্তিভোর বিপক্ষে জয়সূচক গোল করার পর নিজের ভুল স্বীকার করলেন আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ:
গতকাল লা লিগায় দেপোর্তিভো লা করুনার বিপক্ষে আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেছেন হুলিয়ান আলভারেজ। ম্যাচটি ১-০ ব্যবধানে শেষ হলেও আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকার মনে করেন, সমর্থকদের কাছে তাঁর যে দায়বদ্ধতা রয়েছে, তাতে কেবল গোল করাই যথেষ্ট নয়। মৌসুমের শুরুতে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার বিষয়ে তাঁর মরিয়া আচরণে সমর্থকদের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি এবং দল ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশের ধরন নিয়ে তিনি এখন ক্ষমা চেয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
মুভিস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলভারেজ বলেন, ‘বিশ্বকাপ চলাকালে আমার বলা কথাগুলোর জন্য সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাই। আমি যেভাবে কথাগুলো বলেছি এবং যে সময়ে বলেছি, সেটা ভুল ছিল।’ মৌসুমের শুরুর দিকে দর্শকদের দুয়ো দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘সমর্থকেরা কেন ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তা আমি বুঝতে পারছি। আতলেতিকোয় আসার পর থেকে তাঁরা আমাকে যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন, তা বিবেচনায় নিলে তাঁদের প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। তাঁরা আমার প্রতি অনেক উদারতা দেখিয়েছেন। এখন আমার কাজ করার এবং নিজের সবটুকু দেওয়ার সময়।’
আট মাস পর লা লিগায় গোল পেলেন আলভারেজ, যার ফলে বার্সেলোনার সঙ্গে আতলেতিকোর পয়েন্টের ব্যবধান দুইয়ে নেমে এসেছে। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে আতলেতিকোর ঘরের মাঠে শেষ গোল করেছিলেন তিনি। তবে চার দিন আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে গোল পাওয়ায় ছন্দ ফিরে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এই খেলোয়াড়। তিনি বলেন, ‘আমি ক্রমেই ভালো অনুভব করছি। সব সময়ই সমর্থন পেয়েছি। নিজের উন্নতির জন্য কাজ করছি। শারীরিকভাবেও আগের চেয়ে ভালো বোধ করছি। জীবনে যখন ভালো থাকেন, তখন তার প্রভাব মাঠেও দেখা যায়। আমরা পেশাদার খেলোয়াড় হলেও জীবনের অন্যান্য বিষয় আমাদের ওপর প্রভাব ফেলে।’
শনিবার গোল করার পর গ্যালারির অনেক সমর্থক তাঁকে করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানালেও একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করে। আলভারেজের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন কোচ দিয়েগো সিমিওনে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘যাঁরা ক্ষমা চান, তাঁদের প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা। কারণ, ক্ষমা চাওয়াটা সহজ নয়। আলভারেজের জন্য আমি খুব খুশি। আমার মনে হয়, এখন সে অনেকটা স্বস্তি অনুভব করছে। খেলোয়াড় হিসেবে আলভারেজকে নিয়ে আমি দারুণ খুশি। আমাদের তাকে প্রয়োজন।’