কিউবাকে ‘ভিন্ন পথ’ বেছে নেওয়ার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের, অন্যথায় কঠিন শিক্ষার হুঁশিয়ারি

কিউবাকে ‘ভিন্ন পথ’ বেছে নেওয়ার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের, অন্যথায় কঠিন শিক্ষার হুঁশিয়ারি

কিউবা যেন ‘ভিন্ন পথ’ বেছে নেয়, এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যারা মনে করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেই চাপ কেটে যাবে, তারা পথ পরিবর্তন না করলে ‘কঠিনভাবে শিক্ষা’…

কিউবা যেন ‘ভিন্ন পথ’ বেছে নেয়, এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যারা মনে করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেই চাপ কেটে যাবে, তারা পথ পরিবর্তন না করলে ‘কঠিনভাবে শিক্ষা’ পাবে।

ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে জানিয়েছে, কিউবার কমিউনিস্ট সরকার পরিবর্তন করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য। চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা তেল অবরোধের কারণে তীব্র সংকটে পড়েছে কিউবা। জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি দুর্বল অবকাঠামোর কারণে দেশটিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাটও বেড়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটির ‘হ্যানিটি’ অনুষ্ঠানে সোমবার রুবিও বলেন, আমরা আশাবাদী, কিউবা ভিন্ন একটি পথ বেছে নেবে।

তিনি বলেন, ওয়াশিংটন আশা করছে, কিউবার সরকার নিয়ন্ত্রণকারী কিছু মানুষ যে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন, সে বিষয়ে চোখ খুলবেন।

রুবিও বলেন, কিউবার অনেকেই এখনো বিপ্লবী স্লোগান দিয়ে যাচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকে মনে করছেন, তারা এই মার্কিন প্রশাসনের মেয়াদ পার করে দিতে পারবেন, কোনো পরিবর্তন করতে হবে না বা কিছুই করতে হবে না। কিন্তু তারা ভুল করছেন। অবস্থান পরিবর্তন না করলে তাদের ‘কঠিনভাবে শিক্ষা’ দেওয়া হবে।

এর আগে শনিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপের জন্য কিউবার দরজা সবসময় খোলা থাকবে।

তবে ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে শেষ পর্যন্ত একটি সমঝোতা হবে বলে তিনি মনে করেন। একই সঙ্গে কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে বলেও তিনি মনে করছেন না বলে জানান।

৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কিউবার ওপর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন সাম্প্রতিক সময়ে হাভানার ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে। এর আগে জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে তৎকালীন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আটক করার পর কিউবার ওপরও চাপ বাড়ানো হয়।

ফক্স নিউজকে দেওয়া একই সাক্ষাৎকারে ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গেও কথা বলেন রুবিও। তিনি বলেন, দেশটিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা প্রয়োজন।

রুবিও জানান, যত দ্রুত সম্ভব ওই ধরনের নির্বাচন আয়োজনের উপযোগী পরিস্থিতি তৈরির জন্য ওয়াশিংটন কাজ করছে। তবে এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি তিনি।

সূত্র : রয়টার্স

মন্তব্য

0 মন্তব্য

আরও পড়ুন