তারেক রহমানের মঙ্গলের জন্যই সংবিধান সংস্কার পরিষদ চাইছি: নাহিদ ইসলাম
মিরপুরে প্রচারপত্র বিতরণ শেষে নাহিদ ইসলাম ভবিষ্যৎ সংবিধান সংশোধনের ঝুঁকি তুলে ধরেন
ঢাকা জেলা প্রতিনিধি · ঢাকা
প্রকাশ:
আজ রোববার বিকেলে ঢাকা মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং সংবিধান পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের পর জিয়াউর রহমানের অবৈধ ক্ষমতা দখলদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তবু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্ষেত্রে একই ঘটনা না ঘটার কোনো নিশ্চয়তা নেই বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বর্তমান সংসদের একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি সবচেয়ে ভালো সংশোধনী আনলেও ভবিষ্যতে তা বাতিল করে বর্তমান সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কে অবৈধ ঘোষণা করা হতে পারে।
নাহিদ ইসলাম আরও জানান, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে ৩০ অক্টোবর শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল, এবং এই কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনটি আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে পুরোনো সংসদ, পুরোনো অবৈধ সরকার এবং পুরোনো ফ্যাসিস্ট সাংবিধানিক কাঠামোর ধারাবাহিকতা থেকে বের হয়ে নতুন গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান।
সরকারের পাহাড়ের অশান্তি, গোপনভাবে ভারতের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর চাপের ফলে পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হওয়ায় নাহিদ ইসলাম তা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলের ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি সংসদকে অবৈধ ঘোষণার দাবি করা হলেও আইনগতভাবে তা করা সম্ভব নয়, কারণ বিএনপি সরকারও ওই তিনটি সংসদকে অবৈধ ঘোষণা করেনি।
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার এবং অন্যান্য উপস্থিতরা—যেমন আরিফুল ইসলাম আদীব, মনিরা শারমিন, সালেহউদ্দিন সিফাত, নুসরাত তাবাসসুম—কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন।