নতুন পে স্কেলে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন, প্রজ্ঞাপন জারি
জাতীয় বেতন স্কেল–২০২৬ অনুযায়ী বেতন ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়
অর্থনীতি ডেস্ক · ঢাকা
প্রকাশ:
জাতীয় বেতন স্কেল–২০২৬ অনুযায়ী সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার সুবিধা দেওয়া হবে। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রজাতন্ত্রের বিভিন্ন অসামরিক পদে জনস্বার্থে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত ব্যক্তিদের বেতন–ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ, প্রযোজ্য ভাতা ও পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন শর্তাবলি। ১ জুলাইয়ের আগে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫–এর আওতায় থাকা যেসব চুক্তিভিত্তিক কর্মীর চুক্তির মেয়াদ ১ জুলাইয়ের পরও অবশিষ্ট আছে, তাদের ক্ষেত্রে চুক্তি সংশোধন সাপেক্ষে নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা হবে। তারা ১ জুলাই থেকে চাকরি (বেতন ও ভাতা) আদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী বর্ধিত হারে বেতন এবং চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ভাতা প্রাপ্য হবেন।
১ জুলাইয়ের পরে যারা চুক্তিভিত্তিক পদে নিয়োগ পেয়েছেন বা পাবেন, তাদের ক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের আগে জাতীয় বেতন স্কেলের যে গ্রেড ও ধাপে মূল বেতন পেতেন, নতুন স্কেলের অনুরূপ গ্রেড ও ধাপে বেতন নির্ধারিত হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত অথবা উভয় পক্ষের সম্মতিতে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত বেতনই হবে সংশ্লিষ্ট পদের বেতন। তবে চুক্তিভিত্তিক বেতন থেকে গ্রস পেনশন বা বিশেষ অতিরিক্ত পেনশন বাদ যাবে না এবং এই সময়ে কোনো ইনক্রিমেন্ট, আনুতোষিক বা বর্ধিত পেনশন দেওয়া হবে না।
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী ছাড়া অন্য কর্মচারীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বেতন ও ভাতার শর্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের সমন্বয়ে নির্ধারণ করা হবে। এই প্রজ্ঞাপনের পরিপন্থী আগের সব আদেশ বা স্মারক বাতিল বলে গণ্য হবে এবং নতুন প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ আগের স্মারকগুলো বলবৎ থাকবে।