শারদীয় দুর্গোৎসবে বাংলা সাহিত্য উদযাপন
১৯ অক্টোবর রাত ১০টায় ভার্চুয়ালভাবে অনুষ্ঠিত আসরে কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত মধ্যযুগীয় কাব্য আলোচনা করা হয়
ঢাকা জেলা প্রতিনিধি · ঢাকা
প্রকাশ:
ড্যাফোডিল বন্ধুসভা জানায়, ১৯ অক্টোবর রাত ১০টায় ভার্চুয়ালভাবে চণ্ডীমঙ্গল পাঠচক্রের আয়োজন করা হয়েছে। কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত মধ্যযুগীয় কাব্যকে কেন্দ্রীয় বিষয় করে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাঠচক্রে অংশগ্রহণকারীরা কাব্যের ভাষা, ছন্দ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বিজ্ঞাপন
পাঠচক্রে আলোচনা করা হয় কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনীর বিশদ বর্ণনা। দেবী চণ্ডীর লীলায়, কালকেতু বনে শিকার করতে গিয়ে কোনো পশুপাখি না দেখে, বাড়ি ফেরার পথে স্বর্ণগোধিকা পেয়ে তা ধরে নিয়ে আসে। এরপর দেবী চণ্ডী নিজের স্বরূপ প্রকাশ করে দুজনকে আশীর্বাদ করেন, যার ফলে কালকেতুর ভাগ্য পরিবর্তিত হয় এবং তিনি গুজরাট নগরী প্রতিষ্ঠা করে রাজা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এছাড়া কাব্যের পরবর্তী অংশে কালকেতুর রাজ্য প্রতিষ্ঠা, দরিদ্রদের আশ্রয় ও কলিঙ্গরাজের সঙ্গে সংঘাতের বিশ্লেষণ করা হয়।
সভাপতি মুসাভভির সাকির বলেন, ‘আগে কাব্যিক ছন্দে সাহিত্যচর্চার প্রচলন ছিল। ছন্দের মাধ্যমে কাহিনি সহজে মনে রাখা যেত এবং সুর করে পাঠের মাধ্যমে তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হতো। এভাবেই সাহিত্য মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ত। “চণ্ডীমঙ্গল”-এর মতো কাব্য বাংলা সাহিত্যের সেই সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে ধারণ করে আছে।’ পাঠচক্রে আরও যুক্ত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান ফারসী, দপ্তর সম্পাদক আবিদুর রহমান, প্রচার সম্পাদক কাফিল হোসেন, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক মুহাম্মদ নাঈম, কার্যনির্বাহী সদস্য সুমাইয়া তৃষা, আবদুর রহিম ও তামিম সরকারসহ অন্যান্য সদস্য। সঞ্চালনা করেন পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক জেবা আনিকা।