তেহরানে মক্কা জোটের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নিলেন
সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ:
গতকাল সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরানে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের তিনটি সদস্য দেশ—সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক—এর প্রতিনিধিরা উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন। জোটটি আগস্টে স্বাক্ষরিত হয় এবং হুতিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত বৃদ্ধির পর এটি প্রথমবারের মতো ইরানে অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জোটের প্রতিনিধিরা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে তেহরান সফর করেছেন।
বিজ্ঞাপন
ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ীর আয়োজনে বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান প্রতিনিধিত্ব করেন; তিনি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ছোট ভাই। পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, আর তুরস্কের প্রতিনিধিত্ব করেন গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন। দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতে ‘জানফেদা’, যুক্ত তিন কোটি ইরানি, আছেন তরুণীরাওইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ির আয়োজনে বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান।
ইরানের বার্তা সংস্থা ফারসের খবর অনুযায়ী, বৈঠকে প্রধানত আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয় এবং চার দেশের প্রতিনিধিরা সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে পাকিস্তানগত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়, যার মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ও কাতার নেতৃত্ব দিচ্ছে। আগের দিন কাতারের মধ্যস্থতাকারীও তেহরান সফর করেছিলেন; জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি হয়েছিল, তবে কয়েকদিনের মধ্যে তা ভেঙে আবার সংঘাত পুনরায় শুরু হয়।
হুতিদের মতে, তারা সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিমমুখী অপরিশোধিত তেল পরিবহনের পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশন এবং রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে; এক দিন আগে বিমানবন্দরের দুটি টার্মিনালে কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। সৌদি আরবে হুতিদের দাবিকৃত সাতটি হামলার মধ্যে মক্কায় ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ পড়েছে।