কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ: ১৩টি ককটেলসহ যুবলীগের চার নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
কলাবাগান ও মগবাজার এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ককটেলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
ঢাকা জেলা প্রতিনিধি · ঢাকা
প্রকাশ:
রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেলা সোয়া ১২টার দিকে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের মাঠসংলগ্ন এলাকায় ৭ থেকে ৮টি মোটরসাইকেলে এসে ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করেন। এ সময় ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে ককটেল ছুড়লে তিনি কৌশলে রক্ষা পান।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানায়, ওই ঘটনায় নাজমুল হাসান ও মো. বিল্লাল হোসেনকে আটক করা হয়। পরে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের পদচারী-সেতুর নিচে বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারের সামনে থেকে মো. শামিনুর রহমান ও কামরুন্নাহার লিপিকে গ্রেপ্তার করে কলাবাগান থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শামিনুর রহমান (৫৩), সভাপতি কামরুন্নাহার লিপি (৫০), যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাজমুল হাসান (৪৯) এবং যুবলীগের কর্মী মো. বিল্লাল হোসেন (৪৫)। কলাবাগান থানার ওসি মো. ফজলে আশিক জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকায় তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল পাওয়া যায় এবং একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
এদিকে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে আরও ১০টিসহ মোট ১৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে ডিএমপি জানিয়েছে। উদ্ধার করা ককটেলগুলো ডিএমপির বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়করণ দল নিষ্ক্রিয় করেছে। এর আগে সকাল সোয়া সাতটার দিকে মগবাজারের নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলির একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে জাহিদুল ইসলাম ওরফে অনিক (২১) এবং শিহাব হোসেন ওরফে অমিকে (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে চারটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে, যা রমনা মডেল থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলার সূত্রে করা অভিযানে পাওয়া গেছে।