সৌদি রুটে ১৫৯ ফ্লাইট ব্যাহত, প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে
বেবিচকের জানামতে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে মোট ১৫৯টি ফ্লাইটের বাতিল, যার মধ্যে ৮২টি সরাসরি ও ৭৭টি ট্রানজিট
নিজস্ব প্রতিবেদক · ঢাকা
প্রকাশ:
শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১৫৯টি ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে এসব ফ্লাইটের ২২ হাজার ৭২১ জন যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বিজ্ঞাপন
বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল ও স্থগিত হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে ৮২টি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২০টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১৫টি ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত।
ট্রানজিট ফ্লাইটের সংখ্যা ৭৭টি, যার মধ্যে ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।
১০ অক্টোবর থেকে সৌদি আরবের বিমানবন্দরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির হামলার পর ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইটের স্থগিতাদেশ আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে; এই সিদ্ধান্ত ২৫ অক্টোবর জানানো হয়। সংস্থা বলেছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে সৌদি আরবে যাতায়াতের জন্য যাত্রীরা জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন। ঢাকা থেকে জেদ্দা রুটে প্রতিদিন দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে, আর ঢাকা থেকে মদিনা রুটে নিয়মিত ফ্লাইট চালু রয়েছে।
স্থগিত থাকা ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও নতুন সময়সূচি যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমানের বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগের অনুরোধ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থা।