জায়েদ খান বললেন: আমি গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার
নতুন সিনেমা 'ভায়োলেন্স'-এ কানাডিয়ান পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান
বিনোদন ডেস্ক · ঢাকা
প্রকাশ:
গুগলে ‘Most Entertaining Hero in Bangladesh’ লিখে সার্চ দিলে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের নাম উঠে আসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে মাস্টার্স সম্পন্ন করা এই অভিনেতা সম্প্রতি কানাডা সফর শেষে ১৭ অক্টোবর দেশে ফিরেছেন। শরীরচর্চার বিষয়ে বেশ সচেতন জায়েদ খান জানান, নিয়মিত জিমে সময় দেওয়ার কারণেই তিনি ব্যস্ততার মাঝেও নিজেকে ফিট রাখেন।
বিজ্ঞাপন
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে সাম্প্রতিক কিছু ছবি নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ সিরিজে তার কাজ দেখে মেয়র তার ভক্ত হয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘মিস্টার মামদানি, পলিটিকস করতে হলে বডিতে কারিশমা লাগে। এই যে আমার হাতের ব্রেসলেট, এটা দেখলেই ভোটাররা এমনিতেই ইমপ্রেসড হয়ে ভোট দিয়ে দেয়!’
এফডিসির শিল্পী সমিতির নির্বাচনে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে চেয়ার হাতছাড়া হওয়া নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দিস ইজ আ কনস্পিরেসি! টোটাল ষড়যন্ত্র! চেয়ার আমি হারাইনি, চেয়ার আমার কাছ থেকে একদম ‘নিপুণভাবে’ ছিনতাই করা হয়েছে!’ নিজেকে নিয়ে হওয়া ট্রল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ট্রল? ওইটা তো ভালোবাসা! যারে ভালোবাসে, তারেই তো মানুষ নিয়া আলোচনা করে। আমারে নিয়া ট্রল মানে আমি এখনো ট্রেন্ডিংয়ে আছি। শাহরুখকেও তো ট্রল করে!’
নিজের নতুন সিনেমা ‘ভায়োলেন্স’ সম্পর্কে জায়েদ খান জানান, তিনি এই সিনেমায় একজন কানাডিয়ান পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করছেন। তিনি দাবি করেন, পুরো বাংলাদেশের সিনেমার ইতিহাসে তিনিই একমাত্র পুরুষ অভিনেতা, যে অন-স্ক্রিন কানাডিয়ান পুলিশ অফিসার হয়েছে। সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যে নিজের বিখ্যাত ডিগবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভায়োলেন্স’ সিনেমায় ভিলেন যখন আমাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে, তখন আমি বাতাসে শূন্যে ভেসে তিনটা ব্যাকফ্লিপ আর চারটা ডিগবাজি খেয়ে সেই গুলি হাত দিয়ে ক্যাচ ধরি! নিজেকে তিনি ‘গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার’ হিসেবে অভিহিত করেন।
বিয়ে ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি জানান, সিনেমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে এবং এমন কাউকে খুঁজছেন যিনি তার ডিগবাজি সহ্য করতে পারবেন। নিজেকে ‘পাওয়ার ব্যাংক’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, ভক্তদের ভালোবাসাতেই তিনি সবসময় চার্জড থাকেন। হলিউড থেকে প্রস্তাব এলে তিনি প্রথমে বাংলা শেখার শর্ত জুড়ে দেবেন বলে জানান।
বিজ্ঞাপন
প্রতিযোগিতার বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, ‘আমার আয়না! রোজ সকালে আয়নার সামনে দাঁড়াই, আয়নাও কনফিউজড—এত সুন্দর মানুষ, কেমনে সম্ভব!’ নতুন নায়কদের জন্য তার পরামর্শ হলো, ‘লুঙ্গি পরা শিখো, ডিগবাজি শিখো, আর অপমান হজম করা শিখো। তাইলে তুমিও জায়েদ খান হতে পারবে!’ সবশেষে নিজেকে এক লাইনে বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি গরিবের শাহরুখ খান না, বড়লোকের জায়েদ খান! অরিজিনাল পিস, কপি না!’