পিএসজির হয়ে হাকিমির প্রথম হ্যাটট্রিক, এনরিকের রেকর্ড
লা হাভ্রের বিপক্ষে ৫-১ গোলের জয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক পেলেন আশরাফ হাকিমি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ:
পেশাদার ফুটবলে দীর্ঘ এক দশকের ক্যারিয়ারে বিশ্বের অন্যতম সেরা রাইটব্যাক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আশরাফ হাকিমি। চ্যাম্পিয়নস লিগ ও একাধিক দেশের লিগ শিরোপা জিতলেও ক্যারিয়ারে হ্যাটট্রিক অধরাই ছিল তার। তবে লিগ আঁ-তে গতকাল রাতে লা হাভ্রের বিপক্ষে পিএসজির ৫-১ গোলের জয়ের ম্যাচে সেই খামতি মিটিয়েছেন এই মরক্কো তারকা। এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার পাশাপাশি দুটি গোলে অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে গত চার মৌসুমে এক ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে পাঁচ গোলে অবদান রাখা চতুর্থ খেলোয়াড় হাকিমি। ২০২২ সালে পিএসজির হয়ে নেইমার সবশেষ এই কীর্তি গড়েছিলেন। এছাড়া ২০১১ সালে কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট মালিকানায় আসার পর পিএসজির অফিসিয়াল প্রতিযোগিতায় ২০০০তম গোলটিও করেছেন হাকিমি। ম্যাচ শেষে পিএসজি টিভিকে তিনি বলেন, ‘আমার জন্য এটি একটি দারুণ সন্ধ্যা, বিশেষ করে আমরা জয় পাওয়ায় এবং পাশাপাশি এটি আমার প্রথম হ্যাট্রিকও। আমি খুবই আনন্দিত এবং এ জার্সিতে যতটা বেশি সম্ভব গোল করতে চাই।’
হাকিমির এই পারফরম্যান্সের দিনে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। ২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি ছিল পিএসজির হয়ে তার ১২৭তম জয়। এর মাধ্যমে তিনি লঁরা ব্লাঁকে পেছনে ফেলে ক্লাবটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডটি এককভাবে নিজের করে নিয়েছেন। এনরিকে পিএসজির কোচ হিসেবে ১৮৮ ম্যাচে ১২৭ জয়ের বিপরীতে হেরেছেন ২৭টি ম্যাচ।
কোচ হিসেবে পিএসজিতে তার জয়ের হার ৬৭.৬ শতাংশ এবং প্রতি ম্যাচে গড়ে ২.২১ পয়েন্ট পেয়েছেন। তার অধীনে পিএসজি এখন পর্যন্ত ৪৫৭টি গোল করেছে, যা লঁরা ব্লাঁর কোচিংয়ের সময় থেকে ৬৬টি বেশি। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি জয়ের রেকর্ডের তালিকায় এনরিকের পেছনে রয়েছেন মিকেল আরতেতা (১২১), পেপ গার্দিওলা (১১০), ডিয়েগো সিমিওনে (১১০) এবং উনাই এমেরি ও জাবি আলোনসো (১০১)। সফলতার এই ধারা নিয়ে পিএসজি টিভিকে এনরিকে বলেন, ‘এই পর্যায়ের একটি ক্লাবকে কোচিং করানো এবং এমন অবিশ্বাস্য খেলোয়াড়দের পাওয়া আমার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। আমি খুবই আনন্দিত এবং আশা করি প্যারিসে ইতিহাস গড়া অব্যাহত রাখতে পারব।’