জাতীয় লিগে খুলনার বিপক্ষে আল আমিনের সেঞ্চুরি
খুলনার বিপক্ষে টানা দুই মৌসুমে ১০২ রান করলেন ময়মনসিংহের আল আমিন জুনিয়র
খেলা ডেস্ক · ঢাকা
প্রকাশ:
জাতীয় ক্রিকেট লিগে ময়মনসিংহের আল আমিন জুনিয়রের সঙ্গে খুলনার যেন একটা বিশেষ বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। গত মৌসুমে খুলনার বিপক্ষেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ছয় মৌসুমের সেঞ্চুরি-খরা কাটিয়েছিলেন তিনি। এবারও সেই একই প্রতিপক্ষ, আর আল আমিনের রানের সংখ্যাও বদলায়নি। আবারও ১০২ রান করেছেন এই ব্যাটার।
বিজ্ঞাপন
ময়মনসিংহের হয়ে খেলা এই অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার গত মৌসুমে খুলনার বিপক্ষে অপরাজিত ১০২ রান করেছিলেন, যা ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর চতুর্থ সেঞ্চুরি। আজ একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তিনি ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরিটি পেলেন। তবে আগেরবারের মতো এবার তিনি অপরাজিত থাকতে পারেননি, কারণ এবার তিনি খেলেছেন দ্বিতীয় ইনিংসে।
আল আমিনের সেঞ্চুরির পরও ম্যাচে স্বস্তিতে নেই ময়মনসিংহ। ফলোঅনে পড়া দলটি তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩১৫ রান করেছে। তারা খুলনার প্রথম ইনিংসের চেয়ে ১৩৫ রানে এগিয়ে আছে। ২ উইকেটে ৫৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা ময়মনসিংহ স্কোরে ৫ রান যোগ করতেই আরও ২ উইকেট হারায়। সেখান থেকে আবদুল মজিদকে (৫৯) নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়েন আল আমিন। ১৮৫ বলের এই ইনিংসে ১০টি চার মেরেছেন তিনি। ক্র্যাম্পের কারণে ১০১ রানের মাথায় মাঠ ছাড়লেও অষ্টম উইকেট পতনের পর আবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২ বলে ১ রান করে আউট হন। অফ স্পিনার শেখ পারভেজের এটি ছিল চতুর্থ শিকার। গত মৌসুমে খুলনার সঙ্গে ড্র করেছিল ময়মনসিংহ, এবারও শেষ দিনে রোমাঞ্চের সুযোগ থাকছে।
চট্টগ্রামে স্বাগতিকদের জয়ের লক্ষ্য ২২৭ রান। তৃতীয় দিন শেষে ১ উইকেটে ১২৬ রান তুলে ভালো অবস্থানে আছে চট্টগ্রাম। জাতীয় ক্রিকেট লিগে দ্বিতীয় জয় পেতে দলটির প্রয়োজন আর ১০১ রান। ওপেনার সাদিকুর রহমান ৫৮ এবং ওয়ানডাউনে নামা শাহ পরান ৫১ রানে অপরাজিত আছেন। এর আগে ২ উইকেটে ৮৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা সিলেট দ্বিতীয় ইনিংসে ২১৮ রানে অলআউট হয়েছে। প্রথম ইনিংসেও দলটি একই রানে অলআউট হয়েছিল। আজ ১৩৯ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারানো সিলেটকে দুই শ পার করিয়েছেন ৯ নম্বরে নামা তোফায়েল আহমেদ, যিনি ৪৭ রান করেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের বাংলাদেশ দলে ডাক পাওয়া অমিত হাসান করেছেন ২০ রান, প্রথম ইনিংসে তাঁর রান ছিল ৩৪। চট্টগ্রামের বাঁহাতি স্পিনার প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও নিয়েছেন ৪ উইকেট।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২০ ম্যাচ খেলা রাজশাহীর মিডিয়াম পেসার আসাদুজ্জামান পায়েল এতদিন ইনিংসে পাঁচ উইকেটের দেখা পাননি। অবশেষে বগুড়ায় রংপুরের বিপক্ষে সেই অপেক্ষা ফুরিয়েছে তাঁর। রংপুরের প্রথম ইনিংসে ৬৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন পায়েল। ৩ উইকেটে ১২২ রান নিয়ে দিন শুরু করা রংপুর অলআউট হয়েছে ২৫৬ রানে। দলের হয়ে ওপেনার অনিক সরকার ৭৫ এবং পাঁচ নম্বরে নামা ইকবাল হোসেন ৭০ রান করেছেন। প্রথম ইনিংসে ২৫ রানে পিছিয়ে থাকা রাজশাহী দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে দিন শেষ করেছে। সব মিলিয়ে তাদের লিড এখন ৮৫ রান।
বিজ্ঞাপন
জাতীয় ক্রিকেট লিগে বৃষ্টির কারণে নয়, আউটফিল্ড ভেজা থাকায় রাজশাহীতে ঢাকা ও বরিশালের ম্যাচের প্রথম দুই দিন একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। দুই দলের খেলোয়াড়দের সময় কেটেছে ড্রেসিংরুমে বসে। অবশেষে তৃতীয় দিনে এসে শুরু হয়েছে ব্যাট-বলের লড়াই। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দিন শেষে ৮ উইকেটে ২৬৬ রান তুলেছে বরিশাল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করে অপরাজিত আছেন উইকেটকিপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।